বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্র: নৈহাটির স্মৃতিধন্য সারস্বত তীর্থ
বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী স্রষ্টা এবং 'বন্দে মাতরম্' মন্ত্রের উদ্দাতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটির কাঁটালপাড়া গ্রামে অবস্থিত তাঁর এই পৈতৃক ভিটা আজ বাঙালির কাছে এক পবিত্র সারস্বত তীর্থ। উনবিংশ শতাব্দীর বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নবজাগরণের সাক্ষী এই চট্টোপাধ্যায় পরিবারের ইতিহাস এবং বর্তমানের 'বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্র' নিয়ে আজকের বিস্তারিত প্রতিবেদন।
📜 বংশপরিচয়
উনিশ শতকের বাংলার অন্যতম সম্ভ্রান্ত পরিবার ছিল কাঁটালপাড়ার চট্টোপাধ্যায় পরিবার। এই পরিবারের আদি নিবাস ছিল হুগলি জেলার শিয়াখালার কাছে চণ্ডীতলার দেশমুখো গ্রামে। পারিবারিক বিবর্তনের ইতিহাসটি যেমন গৌরবময়, তেমনই আকর্ষণীয়:
![]() |
| শ্রী শ্রী বিজয় রাধাবল্লভ জীউ মন্দির |
- সমৃদ্ধি: রামহরির পৌত্র এবং বঙ্কিমচন্দ্রের পিতা যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক কর্তৃক নিযুক্ত প্রথম চারজন ভারতীয় ডেপুটি কালেক্টরের একজন। তাঁর দক্ষতা ও সুনামের জন্য ব্রিটিশ সরকার তাঁকে 'রায়বাহাদুর' খেতাবে ভূষিত করেন।
![]() |
| সূতিকাগৃহ কক্ষটি |
বঙ্কিমচন্দ্রের জন্ম ও শৈশব
১৮৩৮ খ্রিস্টাব্দের ২৬ জুন (১৩ আষাঢ়, ১২৪৫ বঙ্গাব্দ), এই চট্টোপাধ্যায় পরিবারের এক অনন্য নক্ষত্রের জন্ম হয়— বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি ছিলেন যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও দুর্গাসুন্দরী দেবীর চতুর্থ সন্তান। যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ছিলেন তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের অন্যতম প্রথম ভারতীয় 'ডেপুটি কালেক্টর' এবং তিনি 'রায়বাহাদুর' খেতাবে ভূষিত হয়েছিলেন। এই কাঁটালপাড়ার বাড়িতেই বঙ্কিমচন্দ্রের শৈশব ও কৈশোর অতিবাহিত হয়।
উপরের ছবিটি চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সূতিকাগৃহ—যেখানে জন্মগ্রহণ করেছিলেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।সেই আমলে সূতিকাগৃহটি ছিল একটি সাধারণ খড়ের ছাউনি দেওয়া সরল কাঁচাঘর, আর এখন সেই স্থানেই টেরাকোটা নকশায় সজ্জিত চার-চালা রীতির ঘর নির্মিত হয়েছে।
যাদবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ঠাকুরদালানসহ একটি বিশাল দুই মহলা ইমারত গড়ে তোলেন। ১৮৬৫ সালের এক দানপত্র অনুযায়ী বঙ্কিমচন্দ্র বসতবাড়ির অংশ না পেলেও ১১ বিঘা জমি পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে ১৮৭৪-৭৫ সালে মেজো দাদা সঞ্জীবচন্দ্র ও ছোট ভাই পূর্ণচন্দ্রের অনুমতিক্রমে তিনি ভদ্রাসনের অন্দরমহলের দোতলায় সপরিবারে বসবাস শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর সেই শয়নকক্ষটি দর্শকদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বংশতালিকা
- 📖 বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–১৮৯৪) – উনিশ শতকের বাংলার নবজাগরণের অন্যতম সাহিত্যপুরুষ।
- 💍 স্ত্রী:(দ্বিতীয় স্ত্রী)রাজলক্ষ্মী দেবী (১৮৪৮–১৯১৯)
- 👧 জ্যেষ্ঠ কন্যা: শরৎকুমারী দেবী (১৮৬৪–১৯২৭)
- 👧 মধ্যম কন্যা: নীলাজকুমারী দেবী (১৮৬৬–১৯৩০)
- 👧 কনিষ্ঠ কন্যা: উৎপলকুমারী দেবী (১৮৬৮–১৮৮৭)
💟
দ্বিতীয় স্ত্রী: রাজলক্ষ্মী দেবী (১৮৪৮–১৯১৯)
│
জ্যেষ্ঠ কন্যা── শরৎকুমারী দেবী (১৮৬৪–১৯২৭)
মধ্যম কন্যা── নীলাজকুমারী দেবী (১৮৬৬–১৯৩০)
কনিষ্ঠ কন্যা── উৎপলকুমারী দেবী (১৮৬৮–১৮৮৭)
বঙ্কিমচন্দ্রের বৈঠকখানা
বঙ্কিমচন্দ্রের বাসভবনের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত তাঁর বিখ্যাত বৈঠকখানা বাড়ি। ১৮৬৬-৬৭ সাল নাগাদ এটি নির্মিত হয়। এই বৈঠকখানাটি ছিল তৎকালীন বাংলার সাহিত্যিক ও মণীষীদের প্রধান আড্ডাঘর।
- নক্ষত্র সমাবেশ: এখানে নিয়মিত আসতেন দীনবন্ধু মিত্র, নবীনচন্দ্র সেন, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়, অক্ষয়চন্দ্র সরকার এবং চন্দ্রনাথ বসুর মতো দিকপালরা।
- ঐতিহাসিক মুহূর্ত: এই বৈঠকখানাতেই প্রখ্যাত শিল্পী যদুভট্ট প্রথম 'বন্দে মাতরম্' গানের সুরারোপ করেছিলেন।
- বঙ্গদর্শন পর্ব: দীর্ঘ ছুটি নিয়ে বঙ্কিমচন্দ্র এই বৈঠকখানার পূর্বদিকের ঘরে বসে 'বঙ্গদর্শন' সম্পাদনা ও সাহিত্যসাধনা করতেন। তিনি তাঁর বিশ্রামকক্ষের নাম দিয়েছিলেন 'তোশাখানা'।
সরকারি অধিগ্রহণ
বঙ্কিমচন্দ্রের মৃত্যুর পর (৮ এপ্রিল ১৮৯৪) বাড়িটি বহু সংকটের সম্মুখীন হয়। বিংশ শতাব্দীর শুরুতে রেল ইয়ার্ড তৈরির জন্য বৈঠকখানাটি অধিগ্রহণের চেষ্টা চললে লর্ড কার্জন এবং পরবর্তীকালে যদুনাথ সরকার, হীরেন্দ্রনাথ দত্ত ও স্থানীয়দের প্রবল প্রতিবাদে এই ঐতিহাসিক ভবনটি রক্ষা পায়।
১৯৫২ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাড়িটির দায়িত্ব নেয় এবং ১৯৫৪ সালের ১৪ নভেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় 'ঋষি বঙ্কিম গ্রন্থাগার ও সংগ্রহশালা'। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় আজকের 'বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্র'। অধ্যাপক ড. সত্যজিৎ চৌধুরীর নেতৃত্বে ও জেলাশাসক আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় বাড়িটির অন্দরমহল সংস্কার ও বেদখল মুক্ত করা হয়।
বঙ্কিম-ভবন গবেষণাকেন্দ্র ও সংগ্রহশালা
বর্তমানে এই স্মারক ভবনটি একটি উচ্চমানের গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। ২০০৩ থেকে ২০০৮ সালের মধ্যে ভবনটির ব্যাপক সংস্কার করা হয়।
সংগ্রহশালার প্রধান আকর্ষণসমূহ:
- বঙ্কিমচন্দ্রের ব্যবহৃত সামগ্রী: তাঁর কাশ্মীরি পশমিনা শাল, পাগড়ি, সেজবাতি, 'Seth Thomas'-এর দেওয়াল ঘড়ি, কাঠের পালঙ্ক এবং দাবা খেলার ঘুঁটি।
- বিরল নথিপত্র: বঙ্কিমচন্দ্র পঠিত 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্'-এর সংস্কৃত পুথি, 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আদি সংস্করণ, এবং ১৮৬৫ সালের পৈতৃক দানপত্র-দস্তাবেজ।
- আলোকচিত্র: বঙ্কিমচন্দ্র ও তাঁর পরিবারের দুর্লভ ছবিসহ বঙ্গদর্শনের লেখকগোষ্ঠী এবং সমসাময়িক মণীষীদের আলোকচিত্র।
- বিশেষ সংগ্রহ: মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর ব্যবহৃত সামগ্রী যেমন দক্ষিণাবর্ত শঙ্খ, নস্যি ডিবা এবং দশাবতার তাস।
সংগ্রহশালার প্রধান আকর্ষণসমূহ — এক নজরে
| 🏛️ বিভাগ | 🔍 উল্লেখযোগ্য সংগ্রহসমূহ |
|---|---|
| ব্যক্তিগত ব্যবহার্য | বঙ্কিমচন্দ্রের কাশ্মীরি পশমিনা শাল, মাথায় পরার পাগড়ি, ঐতিহাসিক দেওয়াল ঘড়ি, কাঠের পালঙ্ক এবং তাঁর শখের দাবা খেলার খুঁটি। |
| দুর্লভ নথিপত্র | 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার প্রথম সংখ্যার মূল আখ্যাপত্র, বঙ্কিমচন্দ্রের স্বহস্তে লেখা ব্যক্তিগত চিঠি, 'আনন্দমঠ' ও 'নীলদর্পণ'-এর আদি প্রচ্ছদ। |
| ঐতিহাসিক আলোকচিত্র | ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, দীনবন্ধু মিত্র, মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী এবং চট্টোপাধ্যায় পরিবারের সদস্যদের দুষ্প্রাপ্য সব ছবি। |
| অন্যান্য বিশেষ সংগ্রহ | বিখ্যাত সংগীতশিল্পী যদুভট্টের হারমোনিয়ামের প্রতিরূপ, হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সংগৃহীত ৯টি নস্যি ডিবা এবং পবিত্র দক্ষিণাবর্ত শঙ্খ। |
ভ্রমণপিপাসু ও গবেষকদের জন্য জরুরি তথ্য
আপনি যদি সাহিত্যসম্রাটের জন্মভিটা দর্শন করতে চান, তবে নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখুন:
- ⏰ সময়: প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত (শনিবার, সোমবার এবং সরকারি ছুটির দিন বন্ধ থাকে)।
- 🎫 প্রবেশ মূল্য: মাত্র 5/- টাকা। (২০২২ সালে আমি যখন সেখানে গিয়েছিলাম।)
- 🛍️ বিশেষত্ব: এখানে বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্র প্রকাশিত বইপত্র ৩০% ছাড়ে পাওয়া যায় এবং 'বন্দে মাতরম্' গানের বিরল সিডি সংগ্রহ করা যায়।
🚂 আমার ভ্রমণ অভিজ্ঞতা
আপনি যখন রানাঘাটের দিক থেকে ট্রেনে উঠবেন, নৈহাটি স্টেশন ছাড়ালেই চলন্ত ট্রেন থেকে দেখা যায় বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্র। আবার কলকাতার দিক থেকে নৈহাটি স্টেশনে ঢোকার আগেই এই গবেষণা কেন্দ্রটি চোখে পড়ে।
আমি ২৮/০৬/২০২২ তারিখে সকাল ৯:৩১-এর কৃষ্ণনগর–শিয়ালদা লোকাল ধরে রানাঘাট থেকে যাত্রা শুরু করি। ট্রেনটি প্রায় ১০:২০ নাগাদ নৈহাটি স্টেশনে পৌঁছায়। নির্ধারিত সময়ের তুলনায় সামান্য দেরি হলেও পুরো যাত্রাটি ছিল অত্যন্ত স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ। রানাঘাট থেকে ট্রেনের টিকিটের মূল্য ছিল মাত্র ১০ টাকা (আপ-ডাউন মিলিয়ে ২০ টাকা)।
Train tickets: RailOne অ্যাপ
ভারতীয় রেলের ১০০% নিরাপদ সরকারি অ্যাপ
আমি (২০২২ সালে) UTS ব্যবহার করতাম, তবে এখন(ফেব্রুয়ারি/মার্চ ২০২৬) UTS এর পরিবর্তে RailOne অ্যাপটি এসেছে।আপনি এই অ্যাপটি ব্যবহার করে UPI / ই-ওয়ালেট থেকে টিকিট কাটতে পারবেন। আমি গুগল প্লে-স্টোরের ডাউনলোড লিঙ্ক দিলাম নিচে।
(মনে রাখবেন: বৈধ টিকিট ছাড়া রেল ভ্রমণ Indian Railways আইন, ১৯৮৯-এর ধারা ১৩৭ অনুযায়ী একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।বিনা টিকিটে ধরা পড়লে ন্যূনতম ₹২৫০ জরিমানা, যাত্রার দূরত্ব অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভাড়া আদায়, এমনকি শাস্তিস্বরূপ কারাদণ্ডও হতে পারে।)
📥 প্লে-স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন
📸 বঙ্কিম ভবন প্রাঙ্গণে কাটানো কিছু মুহূর্ত।
🤝 সেখানকার গবেষক ও অধ্যাপিকাদের ব্যবহার অত্যন্ত আন্তরিক। তাঁরা আমাদের তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছেন।"সব মিলিয়ে, অভিজ্ঞতাটি ছিল সত্যিই স্মরণীয়।"
⚠️ ফটোগ্রাফি সংক্রান্ত নিয়ম: বাইরে ছবি তোলা গেলেও, সংগ্রহশালা বা ঘরের ভেতরে ক্যামেরা ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
🚩 নৈহাটি ভ্রমণ নির্দেশিকা
আপনারা যারা ১০০ কিমির মধ্যে থাকেন, তারা আমার মতো একদিনের ট্রিপে আসতে পারেন। তবে নৈহাটি বড়মা পুজো দিতে বা দর্শন করতে এলে এখানে একবার ঘুরতে আসবেন অবশ্যই।
নৈহাটিতে রয়েছে দুটি প্রধান ভ্রমণতীর্থ—একটি স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল মন্ত্র ‘বন্দে মাতরম’-এর স্মৃতিবাহী তীর্থ , আর অন্যটি বর্তমানে ইন্টারনেটে অত্যন্ত জনপ্রিয় ভাইরাল বড়মা দর্শন । দুটি স্পটের দূরত্ব প্রায় হাঁটা পথ।নৈহাটির দুটি ভ্রমণ স্পটের দূরত্বের মাঝে রয়েছে শুধু স্টেশন। আপনি যদি পায়ে হেঁটে বড়মা মন্দির থেকে স্টেশন পার হয়ে বঙ্কিম ভবনে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে আমি বলব দূরত্ব প্রায় ১০ থেকে ১২ মিনিট। প্রথমে পুজো দিয়ে নিন, তারপর ফেরার সময় বঙ্কিম ভবন (ভবন ও মিউজিয়াম) ঘুরে নিন, টিকিটের মূল্য সাধ্যের মধ্যেই। এরপর নৈহাটি স্টেশন থেকে বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেন ধরুন।
আর যারা দূরে থাকেন, তারা কলকাতা ঘুরতে এলে অবশ্যই বন্দে মাতরম তীর্থেও আসুন। নৈহাটিতে থাকার জন্য অনেক উচ্চবিত্ত ও মধ্যবিত্ত হোটেল ও রেস্টুরেন্ট আছে। একদিনের ভ্রমণে সত্যিই এক অন্যরকম আনন্দ উপভোগ করবেন।
📫 যোগাযোগের ঠিকানা
📍 বঙ্কিম-ভবন গবেষণা কেন্দ্র
বঙ্কিম-ভবন • কাঁঠালপাড়া • নৈহাটি • পিন – ৭৪৩১৬৫
উত্তর ২৪ পরগণা • পশ্চিমবঙ্গ
📞 ফোন: (033) 2581-9933
- 🚉 নৈহাটি জংশন রেলওয়ে স্টেশন-এ নেমে সাবওয়ে ধরে ডানদিকে (পূর্ব দিকে) বের হতে হবে।
- 🚶 স্টেশন থেকে সামান্য হাঁটা পথ অথবা টোটো বা রিকশায় খুব সহজেই পৌঁছানো যায়।
- 🏛️ Rishi Bankim Chandra College পেরিয়ে রাধাবল্লভতলা রোড ধরে এগোলেই ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ঐতিহাসিক বাড়ি।
আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন
নতুন নতুন পৌরাণিক কাহিনী ও লোক-সংস্কৃতির আপডেট পেতে সরাসরি আমাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্ত হন।


