⛯ পাল, সেন ও সুলতানি যুগের নির্বাচিত প্রত্নবস্তু ⛯
Debal Raja Archeological Museum
(দেবগ্রাম দেবলরাজা পুরাতত্ব ও লোক সংস্কৃতি সংঘ)
Registry Info: Mouza: Debagram | J.L. No: 105 | P.S.: Gangnapur
Region: District: Nadia, West Bengal, India
দেবল রাজার গড় এলাকা থেকে বিভিন্ন সময়ে সংগৃহীত এই অমূল্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো বাংলার প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী।( পাল পূর্ব, মধ্যপাল, সেন ও সুলতানি যুগের প্রত্নবস্তু )
দেবলগড়ের নলপুকুর সংলগ্ন সমান্তরাল যে মৃত্তিকা স্তুপগুলি রয়েছে, সেখান থেকে পাওয়া গেছে বহু প্রকারের ধর্মীয় সংস্কৃতি উপকরণসমূহ। পার্শ্বস্থ চিত্রটি মৃত্তিকা নির্মিত লাল বর্ণের একটি ক্ষুদ্রাকার চৈত্য বা চোর্তেনের অংশবিশেষ (৯"×৩")। এরকম বহু চৈত্যের অংশবিশেষ মাটি থেকে পাওয়া যায়। সম্ভবত এগুলি পাল যুগের বৌদ্ধ ধর্ম উপাসনার চিহ্ন আমাদের সামনে উপস্থিত করে।
গড়ের কেন্দ্রস্থল বা দেবলার চারপাশ থেকে যে সমস্ত প্রত্নবস্তু পাওয়া যায়, তার অধিকাংশই কালো বর্ণের এবং অলংকরণযুক্ত। চিত্রে দেখা যাচ্ছে বৃহৎ ছিদ্রযুক্ত চূড়া এবং নিরেট নিম্নাংশযুক্ত একটি প্রাচীন ধূপদানী (৬"×৫")। বহু শতাব্দী মাটির তলায় থাকার পরেও এর মসৃণ গাত্র এবং রাসায়নিক প্রলেপের ব্যবহার আমাদের বিস্মিত করে।
দেবগ্রাম সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ভিতরের অংশ থেকে পাওয়া গেছে এই প্রকারের বহু প্রত্নবস্তু। মৃত্তিকা নির্মিত লাল বর্ণের এই পাত্রটির একদিক মাছের লেজের মতো অনুপম নকশাযুক্ত, অপর প্রান্ত উপবৃত্তাকার সর্বাধিক ছড়ানো অংশটি ৬"-এর অধিক বিস্তৃত। সম্ভবত প্রাচীনকালে এটি যজ্ঞের অগ্নিবহন ও সংরক্ষণের কাজে অগ্নিহোত্রী শ্রেণি দ্বারা ব্যবহৃত হতো।
দদেবলা সংলগ্ন অঞ্চল থেকে সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া গেছে জলপ্রদীপ। এগুলির ওপরের অংশ গভীর ও অলংকরণযুক্ত এবং নিচের অংশের পশ্চাতে একটি সুষ্পষ্ট ছিদ্রযুক্ত। এই ছিদ্রের মাধ্যমে নিম্নের প্রকোষ্ঠে জল ভর্তি থাকত, যাতে উপাসনার কালে প্রদীপের আগুন বা তাপ হাতে স্পর্শ না করতে পারে।
প্রাপ্ত প্রত্নবস্তুগুলির মধ্যে শিল্পসুষমা ও অলংকরণের দিক থেকে ধূসর-কালো বর্ণের এই দোয়াতটি অনন্য। প্রায় ৫" উচ্চতাযুক্ত এই দোয়াত সুগভীর প্রকোষ্ঠ এবং পরিধি অঞ্চল অপূর্ব অলংকরণসমৃদ্ধ। অলংকরণের মধ্যে সুনির্দিষ্ট ছিদ্রের অবস্থান থেকে বোঝা যায়, দোয়াতটিকে অবলম্বনের সাহায্যে ঝুলিয়ে রাখার ব্যবস্থাও ছিল।
অর্ধচন্দ্র চিহ্নযুক্ত উচ্চবেদীকায় পদ্মাসনে উপবিষ্ট উপবীতধারী শাক্যসিংহ। দীর্ঘকর্ণ ও আয়তলোচনে অনুপম শিল্পকার্য ক্ষুদ্র ধাতব মূর্তিটিকে (৩.৫'' - ৬") দেবত্বে উত্তীর্ণ করেছে। মস্তকে নাগছত্র এবং নগ্নদেহের বামস্কন্ধে উপবীতের অবস্থান শৈবসাধনা ও জৈনধর্মের অনুসন্ধান দিলেও তৎকালীন যুগে মহাযানি মত, তন্ত্রসাধনা ও ব্রাহ্মণ্যবাদের সমন্বয় দেবলায় প্রাপ্ত অপরূপ এই শিল্পকলায় সংশয়াতীতভাবে উপস্থিত।
প্রাপ্ত প্রত্নবস্তুগুলির মধ্যে বহুসংখ্যায় উপস্থিত রয়েছে মৃত্তিকা নির্মিত বিভিন্ন নকশাযুক্ত অলংকারসমূহ। কণ্ঠহার, কানের দুল প্রভৃতি আভরণের বিভিন্ন নকশাযুক্ত অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। পোড়ামাটির গোলাকার, উপবৃত্তাকার, চ্যাপ্টা বিভিন্ন আকার-আকৃতির অংশের মধ্যে সুস্পষ্ট ছিদ্র ও একাধিক ছিদ্রের আনুপাতিক উপস্থিতি এই অঞ্চলের জনগণের অলংকারপ্রীতিকে প্রতীয়মান করে।
বিভিন্ন আকৃতির ও বিভিন্ন প্রয়োজনে ব্যবহৃত ক্ষুদ্র এই মৃৎ তৈজসপত্রগুলি তৎকালীন সমাজজীবনের বিভিন্ন প্রয়োজন, অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা এবং সর্বোপরি গ্রামীণ অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রকে উপস্থাপন করে।
ভূমিস্পর্শ মুদ্রার কমলাসীনা, সহড় মূর্তিটি ব্রজখানি লোচনাদেবী, মতান্তরে তারাদেবীর। ইনি অধিপ্রজ্ঞা রূপে পরিচিতা। এক হাতে বজ্র, অন্য হাতে নরকরোটি অস্ত্র বা খাটুঙ্গ। ললিতাসনে উপবিষ্টা দেবীর ডান হাতে বরমুদ্রা। উচ্চবেদিতা কমলের প্রতীক। চতুর্ভুজা দেবীর এক হাত অনুপম ভঙ্গিতে বুক স্পর্শ করে রয়েছে। সুগভীর নাভি, দেহের অপূর্ব লীলায়িত ভঙ্গিমা এবং অলংকারসহ উচ্চ মস্তক উষ্ণীষ মূর্তিটিকে এক অপূর্ব শিল্পসুষমা দান করেছে। বলা হয়ে থাকে, লোচনা, মামাকি, পন্দরা ও তারা—এই চারটি মৌল উপাদান যথাক্রমে বিশ্ব, জল, অগ্নি ও বায়ুকে প্রতিনিধিত্ব করে। দেবগ্রামের নিকটস্থ বনমালী পাড়ায় প্রায় চল্লিশ বছর আগে পুকুর খননের সময় প্রাপ্ত এই মূর্তির ত্রিমস্তক ত্রিশক্তির পরিচায়ক।
পাল-পূর্ববর্তী যুগের বিবিধ অলংকরণযুক্ত ধূসর, কালো ও লাল বর্ণের (BRW) বিভিন্ন মৃৎপাত্রের অংশবিশেষ। প্রাপ্ত প্রত্নবস্তুগুলির মধ্যে এই সময়কালের নিদর্শন সবচেয়ে কম হলেও এগুলির অলংকরণ অপূর্ব শিল্পসুষমাযুক্ত।
পোড়ামাটির অলংকরণযুক্ত শুকর মস্তিষ্ক, মাছের লেজের খণ্ডাংশ, প্রচুর পরিমাণে প্রাপ্ত মোড়া প্রভৃতি প্রাচীনকালের লোকায়ত সমাজজীবনের বিভিন্ন আঙ্গিকগুলিকে যেমন উপস্থাপন করে, তেমনি তৎকালীন বাস্তুতন্ত্রের বিভিন্ন উপাদানের সাথেও পরিচয় করায়।
ত্রিবিক্রমরূপী সমপাদক বিষ্ণু। পেছনের ডানহাতে গদা, বামহাতে চক্র, সামনের বামে শল্প এবং ডানহাতে পদ্ম। নিম্নে বামদিকে নিলোৎপলা ভূদেবী এবং ডানদিকের ভূগুদের মতান্তরে কামদেব ও দেবী। উপরে দুপাশে মাল্যধারী গন্ধর্বধ্বয়। মূর্তিটির শিল্পকলা বিশেষত মস্তক মুকুট পূর্ব চালুক্যরীতির এবং হয়সূলা রীতির কথা স্মরণ করায়, যা সেনবংশের সাথে দাক্ষিনাত্যের সুস্পষ্ট যোগাযোগের প্রমাণ। দেবগ্রামের পার্শ্ববর্তী আনুলিয়া গ্রামপঞ্চায়েতে এই মূর্তি সেনযুগের গুরুত্বপূর্ণ পুরাতাত্ত্বিক প্রমাণ। এই আনুলিয়া থেকে লক্ষ্মণ সেনের তাওশাসনও পূর্বে আবিষ্কৃত হয়েছে।
দেবলগড় থেকে প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলির ভিন্ন ভিন্ন আকার-আকৃতি ও নির্মাণ কৌশল বিভিন্ন যুগের পর্যায়ক্রমিক অবস্থানকে নিশ্চিত করে। প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলির বেশকিছু ধূসর ও গাঢ় কৃষ্ণবর্ণের উজ্জ্বল মসৃণ গাত্রবর্ণ, আবার কিছু মৃৎপাত্র ধূসর থেকে প্রায় সাদা, যেখানে গাত্রে অসংখ্য অলংকরণের চিহ্ন দেখা যায়।
গাংনাপুর থানায় রক্ষিত ভগ্ন বিষ্ণু মূর্তি। মূর্তিটির চারটি হাতের অবস্থান, বামস্কন্ধ থেকে উপবিতের এবং মস্তিষ্কের ভগ্ন উষ্ণীষের নির্মাণ কৌশলের সাথে পাদদেশের দুই প্রান্তে ক্ষুদ্র মূর্তিদ্বয়ের অবস্থান সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করে এটি সেনযুগের ব্যাসল্টশিলা নির্মিত একটি বিষ্ণু মূর্তি। উচ্চতা প্রায় চার ফুট। মূর্তিটির মস্তক এবং হাঁটুর নিচের অংশ থেকে বাকি অংশ যেভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, তাতে বহিরাক্রমণের সম্ভাবনা প্রতীয়মান হয়।
অপর উল্লেখযোগ্য পুরাবস্তুর মধ্যে রয়েছে মৃত্তিকা নির্মিত টেরাকোটা অলংকরণযুক্ত ক্ষুদ্র পুতুল (৬"-৫")। পুরুষ মূর্তি শিরোভূষণ, কানের মাকড়ি সহ যোদ্ধবেশে সজ্জিত, অপরপক্ষে নারীমূর্তিটি নিপুণ কেশবিন্যাস ও শারীরিক সৌন্দর্যের সাথে উপস্থিত। এগুলির যুগ বিভাজন ও উপযোগিতা নির্ণয় সম্ভব হয়নি।
বিভিন্ন যুগের কলসি, খণ্ডাংশ যা ঘন জনবসতির প্রমাণ। এগুলির মধ্যে সুলতানি যুগের সরু গলাযুক্ত কলসি যেমন রয়েছে, তেমনি পালযুগের লাল রঙের এবং সেনযুগের অনবদ্য নির্মাণ কৌশলযুক্ত বিভিন্ন আকার ও আকৃতির কলসি রয়েছে।
সুলতানী যুগের মৃৎপাত্রগুলির বিশেষ নির্মাণ কৌশলে সমুজ্জ্বল। সংগ্রহশালায় রক্ষিত একাধিক প্লেটে বিভিন্ন মৃৎপাত্রের নমুনায় দেখা যায়, এর ভিতরের দিক বারংবার ব্যবহারের উদ্দেশ্যে বিশেষ রাসায়নিকের প্রলেপযুক্ত উজ্জ্বল প্রকৃতির, অপরদিকে বহির্ভাগ বৃত্তাকার দাগযুক্ত কিছুটা অমসৃণ এবং রাসায়নিক প্রলেপহীন।
দেবলপুকুর অঞ্চল থেকে সাম্প্রতিককালে উদ্ধারকৃত একটি নাভিশঙ্খ। প্রধানতঃ পূজার উপকরণরূপে ব্যবহৃত হত বলে অনুমান করা যায়। শঙ্খটির নিম্নভাগে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে একটি সুষ্পষ্ট ছিদ্র লক্ষ্য করা যায়। বহুশতাব্দীর ব্যবধানেও অপূর্ব বর্ণবিন্যাস এবং উজ্জ্বল শঙ্খটি আজও ব্যবহারিক দিক থেকে সমান সক্রিয়।
দেবলগড়ে প্রাপ্ত রৌপ্যমুদ্রা। মুদ্রাটির দুইদিকে হরফ থেকে বোঝা যায় মুদ্রাটি সুলতানি যুগের। স্থানীয় স্বায়ত্ত শাসন ব্যবস্থার প্রতীক যুক্ত মিন্ট মার্ক রয়েছে। মুদ্রাটির প্রর্বতক বা তার শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে বিশেষ কিছু জানা যায় না।
স্থানীয় গ্রাম জুড়ে ছড়িয়ে আছে বিরাট বিরাট মাকড়া পাথরের চাঁই। যার নিকটতম প্রাপ্তিস্থল ছোটনাগপুর মালভূমি অঞ্চল। এর মাধ্যমে দেবলগড়ের সাথে বহির অঞ্চলের যোগাযোগ ও স্থানীয় শাসকের সম্বন্ধের পরিচয় পাওয়া যায়। খণ্ডগুলি সুনির্দিষ্ট প্যানেল ও অলংকরণযুক্ত। কোনটির মধ্যস্থলে রয়েছে গোলছিদ্র। সম্ভবত এই মাকড়া পাথরের ব্লকগুলি ভূমিসংলগ্ন অংশের স্থাপত্য উপকরণরূপে ব্যবহৃত হত।
উদ্ধার হয়েছে বিভিন্ন আকৃতি ও গঠনের পোড়ামাটির ইট। সর্ববৃহৎ নমুনা দৈর্ঘ্যে ১৮ ইঞ্চি, প্রস্থে ১২ ইঞ্চি ও ১ ইঞ্চি পুরুত্বযুক্ত। ভিন্ন ভিন্ন ইট স্থাপত্যের বিভিন্ন অংশে ব্যবহৃত হত। সুলতানি যুগের ইটের বিভিন্ন নমুনাও আবিষ্কৃত হয়েছে।
দেবলপুকুরের চারপাশ জুড়ে কৃষিজমি সংস্কারের সময় মাটির তলা থেকে বেরিয়ে আসছে ইটের তৈরি বিস্তৃত পাঁচিল ও অন্যান্য স্থাপত্য কাঠামোর অংশবিশেষ। অতি দ্রুত সংরক্ষণের ব্যবস্থা না নিলে, সেগুলি সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে বিশেষ বিলম্ব হবে না।
দেবলগড়ের পার্শ্ববর্তী আনুলিয়া থেকে উদ্ধারকৃত ব্যাসল্ট শিলা নির্মিত মহাযান ধর্মসম্প্রদায় দ্বারা ব্যবহৃত ধর্মচক্র। পত্রের মোটিফযুক্ত, অলংকরণহীন এই ধর্মচক্রের প্রাপ্তি এই অঞ্চলে মহাযান বৌদ্ধ ধর্মের বিকাশের প্রমাণ স্বরূপ।
আনুলিয়া অঞ্চল থেকে উদ্ধারকৃত সুলতানি যুগের রৌপ্য মুদ্রা। নির্মাণকাল ১২০২ খ্রিষ্টাব্দ। বখতিয়ার খিলজির নদীয়া আক্রমণ এবং পরবর্তীতে মুষবক শাহের নদীয়া বিজয় উপলক্ষে প্রচলিত রৌপ্য মুদ্রাগুলির মধ্যে অন্যতম বলে মনে করা হয়। এটি দেবলগড়-আনুলিয়া অঞ্চলে সুলতানি শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের যথার্থ নিদর্শন।
অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যযুক্ত দেবলগড় অঞ্চল বাংলার প্রত্নতত্ত্বের ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এক ক্ষেত্র। অবিলম্বে এর যথাযথ মূল্যায়ন, উৎখনন ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা হোক আপনার হাত ধরে। দেবলগড়ে আপনাকে সাদর আমন্ত্রণ।
"Debal Rajar Garh" or "Debla" in Debagram Panchayat of Gangnapur Police Station, near Ranaghat, under Nadia District, has been a matter of neglect despite its immense potential in terms of the archaeology and regional history of Bengal. This age-old site has been referenced in various literature, from the medieval period to colonial-era writings.
Along with these literary references, through the tireless efforts made by local historians and common people, an ancient archaeological site has been discovered that reveals multiple layers of civilization through different periods. Thousands of archaeological artifacts from four distinctive historical ages, starting probably from the 7th-century Pala Dynasty, followed by the Sen Empire of the 12th and 13th centuries, later on, the Sultanate Period in the 14th century, and Colonial Period artifacts have been unearthed.
Bronze statues of Lord Buddha, stone statues of Tara from Vajrayana Buddhists, various stone statues of Lord Vishnu and Buddha, hundreds of earthen, metallic, and stone remains of utensils and household materials, as well as coins from the Sultanate Period, have been unearthed by local cultivators during construction and ploughing over the decades.
Recently, with the help of local villagers, the Debagram Debalraja Purattwa O Lokosanskriti Sangha has been formed to protect and display these artifacts for academic purposes.
However, without proper archaeological excavation and research work, it is hardly possible to restore and project the site appropriately. Institutional research and excavation programs are therefore highly solicited. Our organization cordially requests your future initiatives to begin a new chapter of discovery.
দেবলগড় আনুলিয়া প্রত্নক্ষেত্র: হারানো এক রাজধানীর সন্ধানে
| Author: | Dr. Biswajit Roy (ড. বিশ্বজিৎ রায়) |
| Publisher: | Beyond Horizon Publication |
| Pages: | 158 |
| Binding: | Hardbound (হার্ডকভার) |
| Language: | Bengali |
| Price: | ₹300.00/- |
🤝 আমাদের সদস্যপদ গ্রহণ করুন
দেবলগড়ের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে আপনিও আমাদের সহযোগী হতে পারেন। নিচের ফরমটি ডাউনলোড করে পূরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় নথিসহ ইমেইল করুন।
*গুগল ড্রাইভ থেকে নিরাপদ ডাউনলোড নিশ্চিত করুন।
স্বচ্ছতা ও সত্যতা ঘোষণা (Official Disclaimer)
দেবলগড় মিউজিয়াম প্রতিটি প্রত্নবস্তুর ঐতিহাসিক মৌলিকতা নিশ্চিত করে। এই প্ল্যাটফর্মের সকল নিদর্শন অকৃত্রিম। পাঠ-অভিজ্ঞতা উন্নত করতে কিছু ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড (Background) এআই প্রযুক্তিতে পরিমার্জন করা হলেও মূল বস্তুর কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
সদস্য ঘোষণা: দেবলগড় পুরাতত্ত্ব ও লোকসংস্কৃতি সংঘের একজন নিবন্ধিত সদস্য হিসেবে আঞ্চলিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য সংরক্ষণ করা আমার নৈতিক দায়িত্ব। এই ব্লগের প্রতিটি তথ্য বস্তুনিষ্ঠ গবেষণা ও প্রত্নতাত্ত্বিক তথ্যের ভিত্তিতে উপস্থাপিত।
© ২০২৪-২০২৬ দেবলগড় প্রত্নতাত্ত্বিক সংগ্রহশালা
A Registered Member's Initiative | Historical Research & Preservation
