দেবলগড়: বাংলার বুকে হারিয়ে যাওয়া এক প্রাচীন নগরীর সন্ধানে

RAJU BISWAS
0
দেবলগড় নদিয়ার প্রত্নক্ষেত্রের উঁচু টিলা ও জারুল-হিজল অরণ্য
উঁচু টিলা, ঘন জারুল-হিজল-আকাশমণির অরণ্য। দেবলগড়ের ভূপ্রকৃতি যেন অন্য এক জগতের খোঁজ দেয়।
দেবলগড়: নদিয়ার প্রত্নক্ষেত্রে হারানো এক রাজধানীর সন্ধানে

দেবলগড়: নদিয়ার প্রত্নক্ষেত্রে হারানো এক রাজধানীর সন্ধানে

Meta Description: নদিয়ার দেবলগড়ের টিলা-জঙ্গল কি শুধুই প্রকৃতি? স্থানীয়দের হাত ধরে উদ্ধার হচ্ছে হাজার বছরের পুরনো ইতিহাস। দেবল রাজার গড়, পাল-সেন নিদর্শন ও অমীমাংসিত রহস্য নিয়ে আমাদের এই প্রতিবেদন।
Permalink: /debalgarh-nadia-ancient-history-bengal
Labels: ইতিহাস, প্রত্নতত্ত্ব, পশ্চিমবঙ্গ, নদিয়া, দেবলগড়, পর্যটন

নদিয়া জেলার দক্ষিণ প্রান্ত। গাংনাপুর থানার দেবগ্রাম। বাংলার এই সমতল ভূমিতে দাঁড়িয়ে হঠাৎ চোখ আটকে যায় প্রকৃতির এক অন্যমাত্রায়। এ যেন গাঙ্গেয় বদ্বীপের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে হঠাৎ করে দেখা পেয়ে গেলেন রাঢ় বাংলার টিলা-জঙ্গলের। উঁচু উঁচু টিলা, ঘন জারুল-হিজল-আকাশমণির অরণ্য। প্রথম দর্শনেই যে কাউকে মুগ্ধ করার জন্য এখানকার ভূপ্রকৃতি যথেষ্ট।

কিন্তু এই টিলাগুলো শুধু প্রকৃতির খেয়ালখুশি নয়। এগুলো মানবসভ্যতার এক দীর্ঘ ইতিহাসের নীরব সাক্ষী। স্থানীয় প্রবীণ এক গ্রামবাসীর কথা আজও কানে বাজে, "ছোটবেলায় চিতাবাঘ আর শেয়ালের ভয় কাটিয়ে আমরা এসে হাজির হতাম এই টিলার মাথায়। দূর থেকে দেখা যেত কালো ধোঁয়া উড়িয়ে কয়লার ইঞ্জিন ট্রেন নিয়ে যেত রানাঘাট স্টেশন থেকে শিয়ালদার দিকে। তখন এই টিলা ছিল আরও অনেক বেশি উঁচু।"

এই উঁচু টিলাগুলো আসলে কী? এর উত্তর খুঁজতে গিয়েই এক প্রত্নতাত্ত্বিক অভিযানের সূচনা, যে অভিযান আজও থেমে নেই।

দেবল রাজার গড়: চার কোণের নজরমিনার

দেবল রাজার গড়ের বিশাল মাটির প্রাচীর, নদিয়ার প্রত্নক্ষেত্র দেবলগড়
চার কোণের নজরমিনার ও বিশাল প্রাচীরের ধ্বংসাবশেষ আজও ইতিহাসের সাক্ষ্য দেয়।

গ্রামবাসীর মুখে মুখে ফেরে 'দেবল রাজা'র নাম। জানা গেল, এই বিশাল এলাকা জুড়ে ছিল তার গড়। চারকোণে ছিল চারটি বিশাল নজরমিনার, যার একটি আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। বাকিগুলো মাটিকাটিয়েদের 'উন্নয়ন' ও কালের গ্রাসে প্রায় হারিয়ে গেলেও, একতলা-দোতলা বাড়ির উচ্চতা নিয়ে এখনও টিকে আছে।

তবে আসল চমক অপেক্ষা করছিল গড়ের সীমান্ত প্রাচীর (Rampart) ঘেঁষে। এই মাটির প্রাচীর এতটাই চওড়া যে একে দেওয়াল না বলে বিশাল এক বাঁধ বলাই ভালো। আশপাশের কৃষিজমির মাটির সাথে এর রঙ ও গঠনের বিস্তর ফারাক। ধারণা করা হয়, একসময় এই প্রাচীর ছিল তিরিশ থেকে পঞ্চাশ মিটার চওড়া! এতটাই চওড়া যে, তার ওপর দিয়ে জোড়ায় জোড়ায় সশস্ত্র ঘোড়সওয়ার ছুটে বেড়াতে পারতেন প্রহরায়। চন্দ্রকেতুগড় ও বাণগড়ের মতো প্রাচীন নগরীতেও একই ধরনের নগর পরিকল্পনার নিদর্শন মিলেছে।

অনুসন্ধানের শুরু: হারিয়ে যাওয়া নদী আর স্থানীয় মানুষের হাত ধরে

দেবগ্রাম দেবলরাজা পুরাতত্ত্ব ও লোকসংস্কৃতি সংঘের অস্থায়ী সংগ্রহশালা, দেবলগড় মিউজিয়াম
হারিয়ে যাওয়া নদী আর স্থানীয় মানুষের হাত ধরে গড়ে উঠেছে এই সংগ্রহশালা।

শীতের এক সকাল। হারিয়ে যাওয়া এক নদীর সন্ধানে পায়ে হেঁটে এগিয়ে চলা। ছোটবেলা থেকে শোনা দেবলগড়ের আনাচে-কানাচে তখন ইতিহাসের গন্ধ মেশানো বাতাস। সুউচ্চ নজরমিনার, গভীর পরিখা, বিশাল জলাশয় আর বিরাট প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ— সব মিলিয়ে এক রহস্যময় আলোছায়ার সৃষ্টি।

তারপর থেকে অজস্রবার আসা। প্রতিবারই চোখে পড়েছে পায়ের তলায় অনাদরে গুঁড়িয়ে যাওয়া হাজার বছরের পুরনো মৃৎপাত্র, টেরাকোটা সিল, অলঙ্কার আর পাথরের নকশাদার চাঁই। চাষীরা লাঙল চালাতে গিয়ে, গৃহস্থরা ঘর তৈরির মাটি কাটতে গিয়ে অমূল্য প্রত্নসম্পদ পেয়েও তা ভেঙে ফেলছেন অবহেলায়। এই ধ্বংসযজ্ঞ দেখেই মনে হয়েছিল, স্থানীয় মানুষদের না জাগাতে পারলে এত বিশাল এলাকার ইতিহাস রক্ষা করা যাবে না।

২০১৪-১৫ সাল থেকে শুরু হয় মেঠো বৈঠক, চা-মুড়ির আসর। স্থানীয় কৌতূহলী মানুষদের সাথে আলাপ। অবশেষে ২০১৬ সালে গড়ে ওঠে 'দেবগ্রাম দেবলরাজা পুরাতত্ত্ব ও লোকসংস্কৃতি সংঘ'। অবসরপ্রাপ্ত ডাককর্মী চিত্তরঞ্জন বিশ্বাস নিজের ঘর ছেড়ে দিলেন অস্থায়ী সংগ্রহশালা তৈরির জন্য। গ্রামবাসীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে জড়ো করতে লাগলেন লাঙলের ফালে ওঠা মূর্তি, ভাঙা হাঁড়ি, ধানের গোলার নিচ থেকে পাওয়া পাথরের ব্লক। আজ এই সংঘের হাত ধরেই দেবলগড় পৌঁছে গেছে দূর-দূরান্তের ইতিহাসপ্রেমী থেকে শুরু করে এশিয়াটিক সোসাইটি, রাজ্য পুরাতত্ত্ব দপ্তর এমনকি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণের (ASI) দরবারেও।

সময়ের স্তর ভেদ করে: বিভিন্ন যুগের নিদর্শন

দেবলগড়ে প্রাপ্ত পাল-সেন যুগের টেরাকোটা ও অ্যাম্ফোরা, নদিয়ার প্রত্নসম্পদ
বিভিন্ন যুগের নিদর্শন—গুপ্ত, পাল-সেন, সুলতানি ও ঔপনিবেশিক আমলের ছাপ স্পষ্ট।

দেবলগড় শুধু একটি নির্দিষ্ট সময়ের নয়, বরং বিভিন্ন সভ্যতার ক্রমবিকাশের এক জীবন্ত পাঠশালা। এখনও পর্যন্ত প্রাপ্ত নিদর্শনগুলির স্তর ক্রমান্বয় এখানে একাধিক ইতিহাসের অধ্যায়কে চিহ্নিত করে।

📜 ঔপনিবেশিক যুগ Colonial Era
দেবগ্রাম-আনুলিয়ার আশপাশ থেকে মিলেছে কোম্পানি আমলের মুদ্রা, নীলকর সাহেবদের তামার স্ট্যাম্প। কুটীরপাড়া-সহ আশেপাশের গ্রামগুলির নাম আজও মনে করিয়ে দেয় নীলকুঠির দিনগুলো।
🕌 সুলতানি আমল Sultanate Period
আনুলিয়া, গুড়পাড়া, নিয়ামতপুরের মাটি চাপা পড়ে আছে সুলতানি শাসনকালের নিদর্শন। বিশেষ প্রলেপযুক্ত মসৃণ মৃৎপাত্র ও রৌপ্যমুদ্রা তারই প্রমাণ।
🏛️ পাল-সেন যুগ Pala-Sena Dynasty
মাটির আরও গভীর থেকে উদ্ধার হয়েছে অষ্টম-নবম শতাব্দীর ধাতব মুচলিন্দ বুদ্ধমূর্তি, টেরাকোটা বুদ্ধ, সন্তান কোলে মা-সহ নানা টেরাকোটা শিল্প। আশেপাশে আবিষ্কৃত দশেরও বেশি প্রস্তরমূর্তির কোনওটি বিষ্ণু, কোনওটি বৌদ্ধ তারাদেবী। সম্প্রতি দেবলপুকুর সংস্কারের সময় উদ্ধার হয়েছে অনুপম এক দেবমূর্তি। এছাড়া বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদে ঠাঁই পেয়েছে এখানকার 'অনুপম ব্রাহ্মণী মূর্তি'।
🪙 গুপ্ত যুগ ও তারও আগে Golden Age
এখান থেকে বহু আগেই মিলেছে গুপ্তসম্রাট সমুদ্রগুপ্তের স্বর্ণমুদ্রা। গুপ্ত আমলের পাথরের 'গড়েয়া' ও টকটকে লাল মৃৎপাত্র বাণগড়-চন্দ্রকেতুগড়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। এগুলি কি Black and Red Ware (BRW)-এর কোনো আঞ্চলিক সংস্করণ? পদ্মফুল ও লতাপাতার অলঙ্করণ যুক্ত ইঁটগুলো একটি উন্নত নগরকেন্দ্রের ইঙ্গিত দেয়।
🏺 গঙ্গারিডি সভ্যতার যোগসূত্র Gangaridai Link
সবচেয়ে চমকপ্রদ আবিষ্কার হল অ্যাম্ফোরা। চূর্ণীনদী ও পার্বতী খালের ধার থেকে উদ্ধার হওয়া এই পানপাত্র চন্দ্রকেতুগড়ের সভ্যতার সাথে দেবলগড়ের সম্পর্ক স্থাপন করে। নদী বাণিজ্যের পথ ধরেই গঙ্গারিডি সভ্যতার ছোঁয়া লেগেছিল এই অঞ্চলে।

ভূ-প্রত্নতত্ত্বের চোখে দেবলগড়

শুধু প্রত্নবস্তু সংগ্রহ নয়, সমগ্র এলাকার ইতিহাস আর ভূগোলকে একসাথে মেলাতে শুরু হয়েছে ভূ-প্রত্নতত্ত্বের (Geo-archeology) চর্চা। এই বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানকে মূলত পাঁচটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়েছে—

প্রাচীন নদীখাতের সন্ধান
Paleo Channel Morphology বিশ্লেষণ করে বের করা হচ্ছে প্রাচীন নদীগুলির গতিপথ, ঢাল ও ভূমিরূপের পরিবর্তন। এর মাধ্যমেই সভ্যতার বাণিজ্যিক পথের নকশা বোঝা সম্ভব।
প্রত্নবস্তু সংরক্ষণ
মাটির তলা থেকে প্রাপ্ত প্রতিটি অমূল্য সামগ্রীকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নথিবদ্ধ (Documentation) করে সংরক্ষণের বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গ্রামীণ সংগ্রহশালা
গ্রামবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত দানে গড়ে ওঠা এই সংগ্রহশালাটি বর্তমানে দেশি-বিদেশি গবেষক এবং প্রত্নতত্ত্ব প্রেমী পর্যটকদের অন্যতম প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু।
উৎখননের উদ্যোগ
এশিয়াটিক সোসাইটি তাদের জার্নালে দেবলগড়কে 'বাংলার প্রত্নপর্যটন মানচিত্রে নতুন দিগন্ত' বলে স্বীকৃতি দিয়েছে। এখন অপেক্ষা শুধু উপযুক্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ উৎখননের।
গণচেতনা ও সামাজিক আন্দোলন
সবচেয়ে বড় সাফল্য হলো স্থানীয় মানুষকে এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করা। ইতিহাসের রক্ষক হিসেবে 'আমি' থেকে 'আমরা' হওয়ার এই যাত্রাই দেবলগড়কে অনন্য করেছে।

এখনও অমীমাংসিত রহস্য

প্রশ্নের শেষ নেই। প্রতিটি মাটির ঢিবি, প্রতিটি ভাঙা ইট আমাদের কিছু না কিছু প্রশ্ন ছুঁড়ে দেয়।

👑
কে এই দেবল রাজা? পরিখা কেটে, ওয়াচ টাওয়ার বানিয়ে কে সুরক্ষিত করেছিলেন এই নগরী?
☸️
এখানে কি ছিল কোনো বৌদ্ধবিহার? কিংবা গুপ্ত রাজবংশের সূচনা কি এই পুণ্যভূমি থেকেই?
📜
ধোঁয়ার রচনা পবনদূত অনুসারে কি এই দেবলগড়ই ছিল প্রাচীন সেন রাজধানী 'বিজয়পুর'?
⚔️
বখতিয়ার খিলজির নদিয়া আক্রমণের কোনো নীরব সাক্ষী কি লুকিয়ে আছে এই মাটির গভীরে?
💀
গুড়পাড়ায় প্রাপ্ত প্রাচীন কঙ্কালগুলি কি কোনো বিধ্বংসী যুদ্ধের পর সৈন্যদের গণসমাধি?
🏗️
দেবলপুকুরের তলার সুবিশাল বেলেপাথরের ব্লকগুলি কোন অলৌকিক প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষ?

উপসংহার

দেবলগড় শুধু একটি প্রত্নস্থল নয়, এটি একটি আবেগ। এটি একটি গ্রামীণ গণআন্দোলনের নাম, যেখানে চাষি-মজুর থেকে শুরু করে স্কুলের কিশোর, প্রত্যেকেই ইতিহাসের অংশীদার। আজও সংঘের সদস্যরা উড়িয়ে চলেছেন মাটির ধুলো। গ্রামের বধূরা তুলসী মঞ্চের পাশে জড়ো করে রাখেন লাঙলের তলায় ওঠা টেরাকোটার পুঁতি। কিশোরীরা নদীর ধার থেকে কুড়িয়ে আনে খাপড়া বাটি।

ছোট্ট সংগ্রহশালায় আজ ঠাঁই নেই। ধানের গোলা, শ্যালো মেশিনের তলা, সিঁড়ি হয়ে যাওয়া প্রাচীন ইঁট— সবই এখন ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে জড়ো হয়েছে এখানে।

আপনাকে আমন্ত্রণ। ঘুরে আসুন নদিয়ার দেবলগড়। জঙ্গলের ভেতর দিয়ে হেঁটে দেখুন হাজার বছরের প্রাচীন প্রাচীর। ছুঁয়ে দেখুন নজরমিনারের মাটি। অনুভব করুন কালের গর্ভে হারিয়ে যাওয়া এক সভ্যতার স্পন্দন। দেখে আসুন, কীভাবে একদল সাধারণ মানুষ 'ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানোর' পাগলামিতে নেমে লিখে ফেলছেন ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়।

দেবলগড় আনুলিয়া প্রত্নক্ষেত্র
₹৩০০.০০
×

বই অর্ডার ফর্ম

সঠিক তথ্য দিয়ে ফর্মটি পূরণ করুন
মোট প্রদেয়: ₹300

বাংলার প্রত্নতত্ত্বের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হোক, কুয়াশা সরুক হাজার বছরের। দেবলগড়ে স্বাগতম।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

📍 দেবলগড় কোথায় অবস্থিত এবং যাতায়াতের উপায় কী?

দেবলগড় পশ্চিমবঙ্গের নদিয়া জেলার গাংনাপুর থানার অন্তর্গত দেবগ্রাম এলাকায় অবস্থিত। যাতায়াতের জন্য সুবিধা হলো—রানাঘাট থেকে বনগাঁ লাইনের ট্রেন ধরে গাংনাপুর স্টেশনে নামুন। অথবা ট্রেন না পেলে, রানাঘাট স্টেশন পাশ থেকে অটো ধরে সরাসরি গাংনাপুর স্টেশনে আসতে পারেন। সেখান থেকে টোটো করে সহজেই পৌঁছানো যায়। অথবা এরুলি গামী বাসে উঠে দেবগ্রাম নতুন পোস্ট অফিস বা দেবলগড় মিউজিয়াম স্টপেজে নামতে হবে।

🏺 এখানে কী কী প্রাচীন নিদর্শন পাওয়া গেছে?

এখানে বিভিন্ন যুগের অমূল্য প্রত্নসম্পদ পাওয়া গেছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—গুপ্ত আমলের স্বর্ণমুদ্রা, পাল-সেন যুগের টেরাকোটা বুদ্ধমূর্তি, অলঙ্কার এবং গঙ্গারিডি সভ্যতার যোগসূত্র স্থাপনকারী ‘অ্যাম্ফোরা’ বা বিশেষ ধরণের পানপাত্র।

📚 প্রধান তথ্যসূত্র

দেবলগড় আনুলিয়া প্রত্নক্ষেত্র
(হারানো এক রাজধানীর সন্ধানে)
লেখক: ড. বিশ্বজিৎ রায়
প্রথম প্রকাশ: সেপ্টেম্বর, ২০২১

🔍 প্রত্যক্ষ পর্যবেক্ষণ

সরেজমিন অনুসন্ধান (Fieldwork)
সরেজমিন তদন্ত এবং মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধানের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। এটি লেখকের নিজস্ব গবেষণার ফসল।
ORIGINAL RESEARCH

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to ensure you get the best experience on our website. Learn More
Ok, Go it!