কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পী তড়িৎ পাল পেলেন ‘শিল্পগুরু’ সম্মান 🏺

RAJU BISWAS
0
তড়িৎ পাল: শিল্পগুরু পুরস্কার ২০২৪ ও কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্প
তড়িৎ পাল – কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পী, শিল্পগুরু পুরস্কার ২০২৪ প্রাপ্তি

কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণির অষ্টম প্রজন্মের শিল্পী তড়িৎ পাল — হাতে শিল্পগুরু পুরস্কারের স্মারক

কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণি এলাকার নামের সঙ্গে মিশে আছে শত শত বছরের পুরোনো এক শিল্পকৃষ্টি—যা সূক্ষ্মতা এবং বাস্তবধর্মী মানবমূর্তির জন্য বিশ্ব দরবারে সমাদৃত

তড়িৎ পাল ও জাতীয় স্বীকৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদক: জগৎ-বিখ্যাত বাস্তববাদী মৃৎশিল্পের পীঠস্থান কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণি। এই ঐতিহ্যবাহী শিল্পকেন্দ্রের বর্তমান অষ্টম প্রজন্মের অন্যতম শিল্পী, প্রায় পঞ্চাশ বছর বয়সী তড়িৎ পাল-এর মুকুটে যুক্ত হলো আরও এক সাফল্যের পালক। দেশের মৃৎশিল্প জগতে সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবে পরিচিত 'শিল্পগুরু পুরস্কার ২০২৪' অর্জন করে তিনি এই নতুন খেতাবে ভূষিত হলেন।

কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণি এলাকার নামের সঙ্গে মিশে আছে শত শত বছরের পুরোনো এক শিল্পকৃষ্টি—যা সূক্ষ্মতা এবং বাস্তবধর্মী মানবমূর্তির জন্য বিশ্ব দরবারে সমাদৃত

তড়িৎ পালের শিল্পকর্ম ও কারিগরি – কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পের ঐতিহ্য

🏆 শিল্পগুরু পুরস্কার ২০২৪: এক জীবনদীপ স্বীকৃতি

দীর্ঘ শিল্পজীবনের পথে হেঁটে আজ তিনি (তড়িৎ পাল) শুধু একজন শিল্পী নন, বরং কৃষ্ণনগরের হারিয়ে যাওয়া জৌলুশ ফিরিয়ে আনার এক জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। শিল্পের হাতেখড়ি হয়েছিল তাঁর বাবা ও কাকার কাছ থেকেই। কিন্তু সেই দীর্ঘ শিল্পজীবনের পথে দাঁড়িয়ে তাঁর সবচেয়ে বড় আক্ষেপ—সময় যত এগিয়েছে, ততই বদলে গেছে শিল্পের ধরণ। আর সেই সঙ্গে, কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্পও ধীরে ধীরে হারাচ্ছে তার একক জৌলুশ ও সূক্ষ্মতা।

আগের দিনের শিল্পকর্ম আর বর্তমান সময়ের শিল্পের মধ্যে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। পূর্ববর্তী প্রজন্মের শিল্পীরা যে ঘরানার কাজ করতেন, আজকের শিল্পীরা সাধারণত সেই ধরনের কাজ আর করেন না। মানুষের চাহিদা আজও রয়েছে, কিন্তু শিল্পীর ধৈর্য ও সময় দেওয়ার মানসিকতা অনেকটাই কমে গেছে। শিল্পে দীর্ঘ সময় দেওয়ার ধৈর্যই ছিল আগের দিনের শিল্পের মূল ভিত্তি, যা বর্তমানে ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে।

🕉️ ‘বিষ্ণু বিশ্বরূপ দর্শন’ – যে কাজ এনে দিল শিল্পগুরু সম্মান

২০২৪ সালের শিল্পগুরু পুরস্কারের জন্য তড়িৎ পালের নির্বাচিত শিল্পকর্মটি হল— ‘বিষ্ণু বিশ্বরূপ দর্শন’
🔹 সম্পূর্ণ মাটি দিয়ে নির্মিত
🔹 উচ্চতা: ১৮ ইঞ্চি
🔹 দক্ষিণ ভারতীয় ঘরানায় নির্মিত।

এই অনবদ্য শিল্পকর্মে রয়েছে—

  • ✌ প্রায় ৬৮টি ক্ষুদ্র মানব মূর্তি
  • ৩০টি হাতি ও ঘোড়া
  • ২০টি মাথা ও ২০টি হাতবিশিষ্ট বিষ্ণুর প্রতিমূর্তি
  • ✌ প্রতিটি হাতে ভিন্ন অস্ত্র ।
  • ✌ গলার মালার ফাঁকে ফাঁকে বসানো নানা দেবতার অবয়ব ।
  • ✌ নিচের অংশে সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধক্ষেত্র

এই জটিল ও সূক্ষ্ম শিল্পকর্মটি সম্পূর্ণ করতে তড়িৎ পাল ও তাঁর দলকে সময় লেগেছে প্রায় চার মাস

২০২৪ সালের শিল্পগুরু পুরস্কার হাতে তড়িৎ পাল – কৃষ্ণনগর মৃৎশিল্প

২০২৪ সালের শিল্পগুরু পুরস্কার হাতে তড়িৎ পাল।

🏅 আগেও জাতীয় স্তরে সম্মানিত তড়িৎ পাল

উল্লেখযোগ্য বিষয় হল—

  • ২০০৯ সালে তিনি প্রথম জাতীয় পুরস্কার পান।
  • ২০১২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তি নির্মাণের জন্য ফের জাতীয় স্তরে সম্মানিত হন।

নিজের সাফল্যের রহস্য হিসেবে তড়িৎ পাল বলেন— “নিজের উপর বিশ্বাস না হারিয়ে বারবার চেষ্টা করলেই সাফল্য আসে।”

২০০৯ সালে তড়িৎ পাল প্রথম জাতীয় পুরস্কার গ্রহণ করছেন

২০০৯ সালে তড়িৎ পাল প্রথমবার জাতীয় পুরস্কার লাভ করেন।

⏳ মৃৎশিল্পের আজ: ধৈর্য ও মানের সংকট

আগের দিনের শিল্পকর্মে সূক্ষ্মতাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে রিয়ালিস্টিক কাজ তখন অত্যন্ত বেশি হতো। সেই ঘরানা আজও বিদ্যমান, কিন্তু সেই মান ও গভীরতার কাজ এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। একসময় আবক্ষ মূর্তি ও মানবদেহভিত্তিক রিয়ালিস্টিক ফিগার এমন নিখুঁতভাবে তৈরি হতো যে সেগুলি দেখলে জীবন্ত মানুষের মতো মনে হতো। কৃষ্ণনগরের কৃষ্টিশিল্পের প্রধান পরিচিতিই ছিল এই রিয়ালিস্টিক হিউম্যান ফিগার নির্মাণশৈলী।

আগের দিনে শিল্পীদের সুযোগ-সুবিধা ছিল সীমিত, অর্থনৈতিক অভাবও ছিল প্রবল; তবু তাঁরা ভালো ও মানসম্মত শিল্প সৃষ্টি করতেন। আজ রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের নানা উদ্যোগে ছোট ঋণ ও সুযোগ-সুবিধা তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য হলেও কাজের মান ক্রমশ নিম্নমুখী হচ্ছে।

তাঁর মতে, এর অন্যতম কারণ হলো শিল্পীদের ধৈর্য কমে যাওয়া এবং শিল্পের গুরুত্ব বোঝে—এমন মানুষের অভাব। শিল্পের প্রকৃত মূল্যায়ন না হওয়ায় শিল্পচর্চার মানও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যারা শিখতে আসে, তারা এক বা দুই বছর শিক্ষার পরই উৎসাহ হারিয়ে ফেলে। আর্থিক অনটনের কারণে তারা বিকল্প আয়ের পথ খুঁজে নেয়। ফলে এই শিল্পচর্চা ধীরে ধীরে অবহেলিত হয়ে পড়ছে। যদিও কিছু প্রতিভাবান তরুণ অল্প সময়ের জন্য উঠে আসে, কিন্তু পর্যাপ্ত পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে তারাও হারিয়ে যায়। এই বাস্তবতা ভাবলে তাঁর মন ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে।

🗣️ শিল্পমহলে আনন্দের হাওয়া

তড়িৎ পালের এই সাফল্যে খুশির হাওয়া বইছে ঘূর্ণি ও কৃষ্ণনগরের শিল্পমহলে। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত আরেক মৃৎশিল্পী সুবীর পাল (তাঁর জেঠতুতো দাদা) বলেন—

“বিশ্ববিখ্যাত কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পের মুকুটে আরও একটি নতুন পালক যুক্ত হলো। তড়িৎ পাল শুধু নিজে নয়, গোটা শিল্প ঐতিহ্যকেই নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিলেন।”

🏛️ কেন্দ্রীয় সরকারের স্বীকৃতি

কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক এবং হস্তশিল্প দপ্তর-এর পক্ষ থেকে ২০২৪ সালের শিল্পগুরু পুরস্কারের জন্য তড়িৎ পালের নাম চূড়ান্ত করা হয়। ১৭ অক্টোবর একটি সরকারি ই-মেলের মাধ্যমে তাঁর কাছে এই সুখবর পৌঁছায়। উল্লেখ্য, এই পুরস্কার দেশের হস্তশিল্পীদের কাছে সর্বোচ্চ সম্মান হিসেবে বিবেচিত।

🏠 মাটির জীবন শুরু হয় যেখানে

তড়িৎ পালের বাসগৃহই হলো তাঁর সৃজনশীলতার কেন্দ্র—তাঁর স্টুডিও। সেই জায়গা ঘুরিয়ে দেখাতে দেখাতে শিল্পী জানান, মাটির প্রস্তুতির কাজ শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও কঠিন হয়েছে।

🏞️ মাটির খোঁজ ও প্রস্তুতি: এক শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়া

একসময় জলঙ্গী বা খড়ি নদী থেকে উৎকৃষ্ট এঁটেল পলিমাটি সহজেই পাওয়া যেত। কিন্তু সেই দিন এখন অতীত। বর্তমানে গ্রামের কিছু মানুষ মাটি সংগ্রহ করে বিক্রি করেন; তাঁদের কাছ থেকেই ভ্যানভর্তি মাটি কিনতে হয়। কেনার পর সেই মাটিকে শিল্পোপযোগী করে তোলা অত্যন্ত শ্রমসাধ্য কাজ।

🏗️ কাঠামোর নির্মাণশৈলী

ফিগার বা মূর্তির ওপর কাঠামো তৈরি করার ক্ষেত্রে আকারের ওপর নির্ভর করে উপাদান নির্বাচন করা হয়:

  • ছোট মূর্তি: কাঠামো মজবুত করতে এবং ফাটল এড়াতে সুতির কাপড় বা তুলো ব্যবহার করা হয়।
  • বড় ফিগার: মজবুত কাঠামোর জন্য পাট ব্যবহার করা হয়, যা শুকানোর সময় কম ফাটতে সাহায্য করে।
কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্পে পাউন্ড পোড়ানোর ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি

‘ভাটি’ বা ‘পুয়ান’ – মাটি পোড়ানোর ঐতিহ্যবাহী চুল্লি

🔥 পোড়ানোর পদ্ধতি: 'পুয়ান পোড়ানো'র ঐতিহ্য

মূর্তি পোড়ানোর পদ্ধতিও বিভিন্ন ধরনের হয়। কোথাও গরুর গোবর, ঘুঁটে বা কাঠকয়লা ব্যবহৃত হয়। এই পোড়ানোর প্রক্রিয়াকে স্থানীয় ভাষায় ‘ভাটি’ বা চলতি কথায় ‘পুয়ান পোড়ানো’ বলা হয়। পুয়ান পোড়ানোর সময় কৌশলগতভাবে মডেলগুলি একসঙ্গে সাজানো হয়:

  • সাজানো: নিচে মোটা ও ভারী মূর্তি এবং উপরে হালকা বা মানবমূর্তিগুলি বসানো হয়।
  • আবরণ: চারপাশে কাঠকয়লা সাজিয়ে তার ওপর বিচুলি কেটে টুকরো করে বিছিয়ে দেওয়া হয়।
  • আগুনের সূচনা: এরপর কাগজ ও মাটি দিয়ে পুরো কাঠামো লেপে দেওয়া হয় এবং বিকেলের দিকে ভাটিতে আগুন দেওয়া হয়।
  • সময়: সাধারণত শনিবার ও মঙ্গলবার ছাড়া বাকি দিনগুলোতে এই পুয়ান পোড়ানো হয়।

🎨 রিয়ালিস্টিক কাজের ঐতিহ্যবাহী সরঞ্জাম

কৃষ্ণনগরের রিয়ালিস্টিক ফিগারের সূক্ষ্মতা বজায় রাখতে একসময় বিশেষ পদ্ধতি অবলম্বন করা হতো।

চুল, গোঁফ ও দাড়ি: রিয়ালিস্টিক ফিগারের চুল, গোঁফ ও দাড়ি তৈরির জন্য শিল্পীরা কৃষ্ণনগর থেকে নবদ্বীপ ঘাটে যাওয়ার পথে মাঝপথে পড়া মহেশগঞ্জ এলাকা। সেই অঞ্চলের কিছু পরিবার ভেড়ার লোম দিয়ে কম্বল তৈরি করে। সেখান থেকেই শিল্পীরা অর্থের বিনিময়ে ভেড়ার লোম সংগ্রহ করতেন। রং ও গোছ দেখে এই লোম বাছাই করা হতো এবং শিল্পীর নিজস্ব অনুভব ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তার গুণমান যাচাই করেন। এই লোম দিয়েই মূর্তিগুলির চুল, গোঁফ ও দাড়ি তৈরি করা হতো। এই ভেড়ার লোমে খুব সহজেই পোকা ধরে যায়। তাই সংরক্ষণের জন্য লোমগুলো বাড়িতে এনে ভালোভাবে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হতো। এরপর ন্যাপথলিন দিয়ে প্লাস্টিকের কাগজে মুড়ে রেখে সেগুলি সংরক্ষণ করা হয়। আর পোশাক তৈরির জন্য ব্যবহার করা হতো পুরোনো কাপড় কিংবা জামা।

দেশি রং ও আঠা তৈরি: আগে রং ও আঠা তৈরির পদ্ধতি ছিল সম্পূর্ণ দেশি এবং শ্রমনির্ভর -

  • উপাদান: গুঁড়ো রং এবং তেঁতুলের বিচি শুকিয়ে, অল্প বালির সঙ্গে ভেজে সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখা হতো। সকালে ফুলে উঠলে তা শিলনোড়া বা হামানদিস্তায় বেটে পেস্ট তৈরি করা হতো। এই পেস্ট আবার জল দিয়ে ফুটিয়ে আঠা বানানো হতো।
  • বিশুদ্ধিকরণ: উপরে তৈরি হওয়া পাতলা স্তরটি ফেলে দিয়ে মাঝখানের থকথকে আঠালো অংশটি সুতির কাপড় দিয়ে ছেঁকে নেওয়া হতো। সেই ছেঁকে নেওয়া আঠাই রঙের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা হতো।
  • ব্যবহার: ছেঁকে নেওয়া এই বিশুদ্ধ আঠাই রঙের সঙ্গে মিশিয়ে মূর্তিতে ব্যবহার করা হতো। অন্যদিকে, পেস্টের নিচের সম্পূর্ণ খাঁচর অংশ (তলানি/অপদ্রব্য) ফেলে দেওয়া হতো।

শেষ কথা: ঐতিহ্যের দায় ও অঙ্গীকার

তড়িৎ পাল-এর দক্ষতা, বিনয় এবং সরলতাই হলো তাঁর সফলতার মূল চাবিকাঠি। তাঁর এই অর্জনের মাধ্যমে কৃষ্ণনগরের মৃৎশিল্প আবারও জাতীয় মঞ্চে নতুন করে উজ্জ্বল হলো। কৃষ্ণনগরের ঐতিহ্যবাহী ঘূর্ণির মৃৎশিল্প বহুদিন ধরেই দেশ-বিদেশে সমাদৃত। তড়িৎ পালের 'শিল্পগুরু' পুরস্কার প্রাপ্তির মাধ্যমে সেই ঐতিহ্য আজ আরও একবার জাতীয় মঞ্চে নতুন উচ্চতা পেল।

"তড়িৎ পাল শুধু একজন শিল্পী নন, তিনি কৃষ্ণনগরের সংস্কৃতির এক জীবন্ত প্রতিনিধি।"
তড়িৎ পালের স্টুডিওতে মৃৎশিল্পের কাজ চলছে – কৃষ্ণনগর

শিল্পকর্মের কাজ চলছে – স্টুডিওতে তড়িৎ পাল

পাঠকের প্রশ্ন – তড়িৎ পাল ও মৃৎশিল্প

প্রশ্ন ১: তড়িৎ পাল কোন গ্রামের বাসিন্দা?
উত্তর: তিনি কৃষ্ণনগরের ঘূর্ণি এলাকার অষ্টম প্রজন্মের শিল্পী।

প্রশ্ন ২: ‘বিষ্ণু বিশ্বরূপ দর্শন’-এ কয়টি ক্ষুদ্র মানবমূর্তি আছে?
উত্তর: প্রায় ৬৮টি ক্ষুদ্র মানব মূর্তি রয়েছে।

প্রশ্ন ৩: ভেড়ার লোম কেন ব্যবহার করা হতো?
উত্তর: মূর্তির চুল, গোঁফ ও দাড়ির জন্য বাস্তবসম্মত টেক্সচার তৈরি করতে ভেড়ার লোম ব্যবহার করা হতো।

প্রশ্ন ৪: শিল্পগুরু পুরস্কার কে দেয়?
উত্তর: কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক ও হস্তশিল্প দপ্তর এই পুরস্কার প্রদান করে।

প্রশ্ন ৫: পুয়ান পোড়ানো কী?
উত্তর: মাটি পোড়ানোর ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি, যেখানে কাঠকয়লা ও বিচুলির সাহায্যে ভাটিতে মূর্তি পোড়ানো হয়।

📚 তথ্যসূত্র: কেন্দ্রীয় বস্ত্র মন্ত্রক, হস্তশিল্প দপ্তর; সাক্ষাৎকার ও স্থানীয় শিল্পীদের বয়ান।

👉 মাটির এই শিল্পকাহিনি কেমন লাগল? কমেন্টে জানান।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)

#buttons=(Ok, Go it!) #days=(20)

Our website uses cookies to ensure you get the best experience on our website. Learn More
Ok, Go it!